My family is into agriculture. Our livelihood is dependent on farming. Farming provides us with food, shelter, supports our education, and provides us with other necessities in life. Since it is the main livelihood of our family, it was quite easy for me to be engaged in agriculture as well. So, at the age of fifteen, I started farming. However, I encounter different challenges and one is producing safe food. With the help of Upazila Agriculture Extension Department, I have been receiving advice and training through the Integrated Farm Management Farmers Field School. I have been involved in agricultural work for fifteen years now and chose to focus on production to marketing considering safe and environment-friendly agriculture. With the cooperation and support of people around me, I can now consider myself successful.

The challenges that we are facing in the field of agriculture are lack of training for farmers, lack of capital, lack of agricultural equipment, lack of skilled workers, natural disasters, and an inefficient market system.

To resolve these challenges, I recommend the following actions:

  • Arrange agriculture training for farmers
  • Provide long term loans to farmers at low interest rates
  • Provide modern equipment for farmers
  • Efficient weather forecasting so farmers are warned of calamities
  • Proper supervision of the market
  • Increase the quality of agricultural work

If these recommendations are accepted, the next step is the adaptation of the action plans. And if these are implemented, it will then be possible to produce and market safe food. Hence, there will be a significant change in the agricultural sector in Bangladesh. 

Mathur Chandra Kabiraz
Bangladesh

বরাবর
মহাপরিচালক
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর
খামারবাড়ি, ঢাকা

বিষয়ঃ জমিতে প্রবেশাধিকার প্রসঙ্গ

জনাব,

যথাবিহিত সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে,আমার কৃষি সর্ম্পকিত জীবন গল্প ও জমিতে প্রবেশাধিকার নিয়ে কিছু কথা উপস্থাপন করলাম। আমার পরিবার কৃষি প্রধান পরিবার। পরিবারের অর্থনীতি কৃষির উপর নির্ভরশীল। কৃষি আমার পরিবারের যথা খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা আশ্রয়ের মৌলিক উপাদান গুলোর যোগান দেয়। কৃষি আমার পরিবারের প্রধান পেশা তাই কৃষি বা জমিতে প্রবেশ করাটা ছিলো  অনেক সহজ। পনেরো বছর বয়সে আমি কৃষি বা জমিতে প্রবেশ করি। কিন্তু নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন আমার জন্য সহজ ছিলো না। অনেক বাধা অতিক্রম করতে হয়েছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে পরামর্শ নিয়ে উপকৃত হই, এবং সমন্বিত খামার ব্যবস্থাপনা কৃষক মাঠ স্কুলের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ গ্রহন করি। প্রায় পনেরো বছর যাবৎ কৃষি কাজের সাথে জরিত আছি। উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে কোনো প্রতিষ্ঠানে যুক্ত না হয়ে কৃষিকে প্রধান পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছি, বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতি ও নিরাপদ খাদ্যের কথা বিবেচনা করে, উৎপাদন থেকে শুরু করে বাজারজাতকরণ করি তা অনেক নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব। সবার সহযোগীতায় আমি এখন একজন সফল কৃষক।

কৃষিক্ষেত্রে যে চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবেলা করতে হয়েছেঃ- 

১) প্রশিক্ষণের অভাব
২) সঠিক সময়ে মুলধনের অভাব
৩) কৃষি উপকরন বা যন্ত্রপাতির অভাব
৪) প্রাকৃতিক দূর্যোগ
৫) ক্রটিপূর্ণ বাজার ব্যবস্থা
৬) দক্ষ শ্রমিকের অভাব

চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করতে নীতি ও সুপারিশমালাঃ-

১) সরকারিভাবে কৃষির উপর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা
২) সরকারিভাবে কৃষককে সল্প সুদে দীর্ঘ মেয়াদি ঋণ প্রদান করা
৩) সরকারিভাবে আধুনিক যন্ত্রপাতি প্রদান করা
৪) প্রাকৃতিক দূর্যোগ সম্পর্কে আগাম পূর্বাভাস দেওয়া
৫) বাজারকে সঠিক ভাবে তদারকি করা
৬) কৃষি কাজের মান বৃদ্ধি করা

সুপারিশমালা গৃহীত হলে পরর্বতী করণীয়ঃ-

উপরিউক্ত সুপারিশমালা গৃহীত হলে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ করা সম্ভব। ফলে বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতির বিপ্লব ঘটবে। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়বে। 

নিবেদক

মথুর চন্দ্র কবিরাজ

  কাগইল গাবতলী বগুড়া

   মোবাঃ০১৭২৩৭৫৩৫৩০

Tags:

Comments are closed